অধ্যক্ষ মুনীর চৌধুরীর ১৫ বছরের চাকরি জীবনে এমন সময় আসেনি যখন কোনো সিদ্ধান্তে আসতে তাঁর এতটা কষ্ট হয়েছে। ঘড়িতে দেখাচ্ছে সন্ধ্যে মাত্র সাতটা কিন্তু তার অফিসের ভেতরটা দেখে মনে হচ্ছে যেন রাত গড়িয়ে তিনটা বেজেছে। অধ্যক্ষের রুমের এক দেয়ালের তাক কেবল স্কুলের জেতা বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কারে ভরা।
তাতেই বোঝা যায় কেন এই স্কুলের খ্যাতি সকল দিকে ছড়িয়ে। স্কুলের ছাত্রদের সাথে তুলনা দেয়াটা যেমন প্রতি পরিবারের নিত্য দায়িত্ব হয়ে উঠেছে, তেমনি এই স্কুলে ঢোকাটা অভিভাবক ও তাদের সন্তানদের জীবনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অর্ধ শতাব্দী আগে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলের মূল লক্ষ্য প্রতিষ্ঠাকালে যা ছিল, আজও আজও তা-ই আছে-'যোগ্যতা অনুযায়ী স্থান'-কিন্তু আগের মতো এর প্রয়োগ এখন আর হয় না। হয়তো বা এখন অনেকে ভুলেও গেছে এর প্রয়োগের কথা। এখন এই নীতি কেবল অর্থবিহীন বাক্য। কিন্তু একজন অধ্যক্ষ যতক্ষণ পর্যন্ত নীতি মেনে চলেন, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই প্রতিষ্ঠানের পতন হয় না।