মেডিকেল কলেজ জীবনের গল্প। শুভ আর তৃষ্ণাকে কেন্দ্র করে যে গল্পের অগ্রগমন। শুভ কলেজের টিপিক্যাল ফার্স্ট বয়। ভদ্রতার দায় কাঁধে বয়ে বেড়ানো সেই ছেলে, যে মেয়েদের এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে। হঠাৎ তার জীবনে আগমন ঘটে তৃষ্ণার। সমস্ত ভদ্রতা, সরলতার বাঁধ ভেঙে তৃষ্ণাতেই শুভ খুঁজে পায় আত্মিক তৃষ্ণা নিবারণের উপকরণ। প্রেম ধরা দেয় তাকে।
খুবই সাদামাটা একটা সম্পর্কের চাদরে জড়িয়ে যায় দুজন। শুভর বর্ণহীন জীবনকে বর্ণিল করে তুলতেই যেন তৃষ্ণার আগমণ। স্বপ্নময় হয়ে ওঠে দুজনের যাত্রা। মানব-মানব-মানবীর এক অদ্ভুত ভালোবাসা গড়ে ওঠে খনিক সময়ের ব্যবধানে।
কিন্তু জীবন বরাবরই নাটকীয়। ‘নাট্যকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেই জীবন নামক মঞ্চে আমরা আবির্ভূত হই’ সেই সত্যকে প্রমাণিত করতেই বোধহয় টানাপোড়েন শুরু হয় শুভ-তৃষ্ণার মাঝে। সূর্যোদয় যখন অন্ধকারকে গিলে খাবে, তখনই যেন সূর্যাস্ত চোখ রাঙিয়ে ওঠে। কিন্তু শেষ অব্দি তারা কি এই ট্র্যাজিডিকে সত্য হতে দিবে? নাকি নিজেরাই ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন সূর্যোদয় ঘটাবে? প্রশ্নের উত্তর মিলবে বিসর্জনের পাতায়।