“বিশ্বের সেরা রহস্য উপন্যাস : ৭ দ্য ইজিপশিয়ান ক্রুশ মিস্ট্রি” বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: রহস্যকাহিনি বনাম কুলীন সাহিত্য! রহস্যগল্পকে কুলীন সাহিত্যের জাতে তুলতে চাইবেন না অনেকেই। যদিও সব দেশেই বিদগ্ধমহলেও এর আগ্রহী পাঠকের সংখ্যা কম নয়। এমনকি নব্য বুদ্ধিজীবীরা,নভােচারীগণ,যারা প্রায় সবকিছুর প্রতি সর্বদা ভ্রুকুঁচকে থাকেন। তাঁদেরও পকেট থেকে ক্রাইম বা মিস্ট্রি মার্কা পেপারব্যাক দু-একখানা বেরিয়ে পড়বে। এটা নেহাত মানস বিশ্রাম,ভারগ্রস্ত চিত্তের ক্ষণস্থায়ী আরাম। সাম্প্রতিক রহস্য-উপন্যাসের মান অনেকটা নেমে গেছে। কেন আর কীভাবে তা নিয়ে পৃথকভাবে ভাবা যেতে পারে। কিন্তু যারা এ রাজ্যের সাহেব-বিবি ছিলেন,যারা মনস্তত্ত্বের সঙ্গে অপরাধকে বা চরিত্র-ব্যক্তিত্বের সঙ্গে গােয়েন্দাগিরিকে মিশিয়ে দিতে সমর্থ ছিলেন তাঁদের কথা কি অভিজাত সাহিত্যিকরা স্মরণ করে- ভক্ত পাঠকও ইংরেজি উপন্যাসের ইতিহাস লিখতে গেলে কি জায়গা ছেড়ে দেবেন কোনান ডয়েলকে,আগাথা ক্রিস্টিকে,সিমের,বিস্ময়কর মানুষ গােয়েন্দা মায়াঘেঁ,এবং ভারতের শরদিন্দুর এত সাধারণ এবং অসাধারণ ব্যোমকেশকে বিশ্ব-উপন্যাসের সেরা নর-নারীর সঙ্গে কে এক আসনে বসতে দেবে?