রবীন্দ্র-উত্তর বাংলা কথাসাহিত্যে আবহমান বাংলার চিরায়ত রূপসংবেদ অঙ্কনে যিনি প্রাতিস্বিক ভূমিকা পালন করেছেন তিনিই হচ্ছেন অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষ ও প্রকৃতির মুক্তবন্ধ রচনায় এই জীবনশিল্পী তাঁর সাধনা ও সিদ্ধিকে সর্বোতভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। আর তাই জীবনের অকৃত্রিম পাঁচালীকার হিসেবে তাঁর দক্ষতা ও শিল্পনৈপুণ্য আজও একবাক্যে স্বীকার করা হয়। কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৩০১ বঙ্গাব্দের ২৮ শে ভাদ্র চব্বিশপরগণার অন্তর্গত মুরাতিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে। তাঁর পৈত্রিক নিবাস ছিলো তৎকালীন যশোর জেলার বারাকপুর গ্রামে। এই গ্রামটির অবস্থান হচ্ছে বনগ্রাম থেকে চার মাইল দূরে। বর্তমানে বারাকপুর গ্রামটিও চব্বিশপরগণা জেলার অন্তর্ভুক্ত। বিভূতিভূষণের পিতামহ ছিলেন কবিরাজ তারিণীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।