বিনোদবিহারীর হাতে গড়ে ওঠা রায়বাড়ি আজো কালের সাক্ষ্যি হয়ে দাড়িয়ে আছে জীর্ন শীর্ন হয়ে। এ বাড়ির আঙ্গিনায় রাজকন্যার মতো ঘুরে বেরিয়েছে যে ইন্দুমতি, সেই ইন্দুমতিকেই ভাগ্যের পরিহাসে বরণ করতে হয়েছিল এক নির্মম জীবনকে। যে অন্নদাসুন্দরী সংসার আর কারবার সামলাতেন শক্ত হাতে,সুখে দুঃখে সবাইকে আগলে রাখতেন পরম মমতায়,সেই অন্নদাসুন্দরীও একদিন শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন বিধাতার খেলায়।নাকি কারো অভিশাপের ছায়ায়? সত্যবতী কিংবা হারাধন মুখুর্জীর শাপে জর্জরিত হয়েও মাটিআঁকড়ে দাড়িয়ে আছে শতাব্দী পুরোনো এ রায়বাড়ি।
আজ বহুবছর পরে সোমা রায়বাড়ির সামনে।চোখের সামনে ভেসে উঠছে পুরোনো দিন। কনকাঞ্জলি দিয়ে এ বাড়ি থেকে বিদায় নিয়েছিল সোমা।বিদায় কি কেউ নিতে পারে? না কেউ কাউকে দিতে পারে? দুমুঠো চাল ফেলে দিয়ে চলে এলেই কি সব ঋণ শোধ হয়ে যায়?