রতনলাল বাংলাদেশ ছেড়ে বিহার চলে এসেছে। কিন্তু বেশী দূরে যেতে পারছে না। টাকাগুলোর চিন্তা তার মনের মধ্যে সব সময় আলপিন ফোটাচ্ছে। প্রায় অচেনা একজন ভ্রষ্টা স্ত্রীলোকের হাতে টাকাগুলো রেখে আসতে হলো। সে যদি ফেরত না দেয়? রতনলাল এসে উঠলো ধানবাদে। দু'দিন বাদেই সে একবার আসানসোলে ফিরে যাবার চেষ্টা করেছিল। কুমারডুবির কাছাকাছি পর্যন্ত গিয়ে বুঝেছিল পুলিশ এত কড়া নজর রেখেছে যে সে চোখ এড়াতে পারবে না।
রতনলালের নিজের কাছেই এখন খরচ চালাবার মতন টাকা পয়সা নেই। অন্য কারুর সঙ্গে যোগাযোগ করতেও পারছে না। খড়গপুরের একটা বাড়িতে আর দু'দিন পরে সকলে এসে মিলিত হবার কথা। কিন্তু রতনলাল যে ধানবাদ থেকে খড়গপুরে যাবে, সেই ট্রেন ভাড়াই নেই। আসানসোল স্টেশনেই যদি গোলমালটা না হতো, তাহলে সে শ্রীরামপুরে আগে থেকে ঠিক করা আস্তানায় বেশ আরামেই থাকতে পারতো।