গেটের মুখেই দাঁড়িয়েছিল রতন, তার দিকে এক পলক তাকিয়েই হেমেন বুঝতে পারল। তবু বিশ্বাস হয় না। রতনের চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করল, কি রে? রতন প্রথমটায় কোনো কথা বলতে পারল না, দাদার চোখ থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে মাটির দিকে তাকাল, তার পর বলল, পৌনে চারটের সময়-কি?
-ভালো হয়ে আসছিল, নিঃশ্বাসও অনেকটা ঠিক হয়ে গিয়েছিল, হঠাৎ-
-নেই!
নেই। আর কোনোক্রমেই এ কথাটা ফেরানো যাবে না। হাসপাতালের গেটে দাঁড়িয়ে হেমেনের মনে হল, আর সবই ঠিক আছে, শুধু একজন নেই। ঠিক চার বছর বয়েস হয়েছিল মেয়েটার, সামনের বেহস্পতিবার ওর জন্মদিন করার কথা ছিল। কিছু না রেখেই হেমেন একবার পেছনের দিকে তাকাল।
-তোর বৌদিকে খবর দিয়েছিল?
-না।