চাঁদের পাহাড়-এর কাহিনি এক বাঙালি অভিযাত্রীর শঙ্কর রায় চৌধুরীর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যে ১৯০৯-১৯১০ সাল নাগাদ আফ্রিকা যায়। শঙ্কর রায় চৌধুরী গ্র্যাজুয়েশন করার পর পাটকলে চাকরি পায়। কিন্তু সে রোমাঞ্চ খোঁজে। সে আফ্রিকার দুর্গম স্থানে যেতে চায়। অবশেষে তার গ্রামের এক অধিবাসী, যে আফ্রিকায় কাজ করে, তার সহায়তায় সে আফ্রিকায় ক্লার্ক হিসেবে কাজ পায় এবং উগান্ডা রেলওয়েতে চাকরি পায়। এখানেই সে পর্তুগিজ অভিযাত্রীক ও স্বর্ণসন্ধানী ডিয়েগো আলভারেজ-এর দেখা পায়। আলভারেজ তার জীবনে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত এক কাহিনি বলে শঙ্করকে।
আলভারেজ এবং তার সঙ্গী জিম কার্টার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হীরক খনির সন্ধান পেয়েছিল। সেই হীরক খনি পাহাড়া দেয় ভয়ংকর এক জন্তু বুনিপ। ভয়ংকর জন্তু বুনিপ জিমকে মেরে ফেলে এবং আলভারেজ ফিরে আসতে বাধ্য হয়।
শংকর এই কাহিনি শোনার পর সিদ্ধান্ত নেয় সেও রওনা হবে চাঁদের পাহাড়ের দিকে। খুঁজে বের করবে হীরার খনি। তাই সে চাকরি ছেড়ে দিয়ে আলভারেজের সাথে খনি অনুসন্ধানে বের হয়। তারা ঘন জঙ্গলে প্রবেশ করে। শুরু হয় এক রোমাঞ্চকর এক অভিযান।