পৃথিবীর সমস্ত কীর্তি বা আবিষ্কারকে আমরা যদি এই মুহূর্তে পেছনে ফিরে দেখি তবে দেখতে পাব এর শুরুটা হয়েছে অসামান্য পরিকল্পনাহীনতা ও বাহুল্যতার মাঝদিয়ে, বাইরে থেকে বোঝা যায় না শুরুর জন্য এর ভেতরটা কি রকম শাণিত ছিল। দিনের আলোয় হীরে যেমন উজ্জ্বল আলো ছড়ায় তেমনি প্রকৃত জ্ঞানের প্রয়োগ ধীরে ধীরে একটা পরিকল্পিত ও পরিপক্ক আবিষ্কারে পরিণত হয়। যেন ধুলায় ধূসরিত তাম্রলিপি। ধুলা সরিয়ে দিলে দেখবো একটা প্রাঞ্জল, অর্থবহ, উজ্জ্বল লিপি বেরিয়ে এসেছে। তাম্রপাত্রকে যদি আমরা বলি শিক্ষণ তাহলে তাম্রলিপিকে বলব ইনটুইশান বা স্বজ্ঞান। একটা বাইরের আর একটা ভেতরের।
রাউল-এর মতও তাই। সে মানুষের অসারতা যা তারা জোর করে প্রজ্ঞার পরিচয়ে নিজেদের জ্ঞানীর পর্যায়ে ফেলতে চায় তাদের সাথে তার বিশাল বিরোধ। সেদিন এক • সেমিনারে গিয়ে উপস্থিত সে। 'উত্তর আধুনিক কবিতা কি এবং কেন' বিষয়ক সেমিনার। এক কবি উঠে বললেন উত্তর আধুনিক কবিতা হচ্ছে সেই কবিতা যার মুণ্ডুর সাথে ধরের মিল নেই, একজনের মুণ্ডুর সাথে আর এক জনের ধরের মিলিয়ে দেওয়া। আর একজন বললো বাংলা কবিতাকে যদি রক্ষা করতে হয় তাহলে আমাদের এমন সব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বানাতে হবে যেখান থেকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল-এর মত কবিদের জন্ম হয় ।