পুরবালাঃ তোমার নিজের বোন হলে দেখতুম কেমন চুপ করে বসে থাকতে। এতদিনে এক-একটির তিনটি চারটি করে পাত্র জুটিয়ে আনতে। ওরা আমার বোন কিনা-
অক্ষয়ঃ মানব-চরিত্রের কিছুই তোমার কাছে লুকানো নেই। নিজের বোনে এবং স্ত্রীর বোনে যে কত প্রভেদ তা এই কাঁচা বয়সেই বুঝে নিয়েছ। তা ভাই, শ্বশুরের কোনো কন্যাটিকেই পরের হাতে সমর্পণ করতে কিছুতেই মন সরে না- এ বিষয়ে আমার ঔদার্যের অভাব আছে তা স্বীকার করতে হবে।
পুরবালাঃ দেখো, তোমার সঙ্গে আমার একটা বন্দোবস্ত করতে হচ্ছে। অক্ষয়ঃ একটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত তো মন্ত্র পড়ে বিবাহের দিনেই হয়ে গেছে, আবার আর একটা!
পুরবালাঃ ওগো, এটা তত ভয়ানক নয়। ভয়ানক নয় হতেও পারে। এটা হয়তো তেমন অসহ্য না
অক্ষয়ঃ সখী, তবে খুলে বলো।