বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
চৈতী হাওয়া উপন্যাসের পটভূমি গত বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের। পঞ্চাশের দশক হতে শুরু করে সত্তরের দশক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল। উপন্যাসে সে সময়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থা, পারিপার্শ্বিকতা, তাদের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
চৈতী হাওয়া পুরোপুরি গবেষণাধর্মী কিম্বা ঐতিহাসিক কোন রচনা নয়। আবার খুঁজলে এ দুটোরই অস্তিত্ব উপন্যাসে পাওয়া যাবে। বাস্তবতার নিরিখে উপন্যাসে প্রচুর আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে, পাঠকের সে ভাষা বুঝতে অসুবিধা হবার কথা নয়। বিশেষ কোন দায়বদ্ধতা থেকে চৈতী হাওয়া উপন্যাস লেখা হয়নি। তবে, নিজের শৈশব কালের চারপাশটা কেমন ছিলো তার একটি বাস্তব চিত্র একে রাখার তাগিদ থেকে, এ উপন্যাস লেখা।
'লেখকের জবানবন্দীতে' উপন্যাসের পটভূমি কিছুটা বিস্তৃত আকারে তুলে ধরা হয়েছে। আশা করি 'চৈতী হাওয়া' উপন্যাস পাঠকের ভালো লাগবে এবং পাঠকেকে কিছু সময়ের জন্য স্মৃতিকাতর করে তুলবে।