দেখা ও অদেখা, দুই-এ মিলে একাসনে চেতনায় বাস। উভয়েই ছুঁতে চায় কালের প্রবাহ। পেতে চায় ওই স্রোতে ভেসে চলা বিন্দুর অধিকার। হয়ত সৃষ্টি খোঁজে অমরার ছাপ, হয়ত চিন্তা ছোটে নির্মাল্যের পিছে, হয়ত জীবনে জীবন যোগ কাজের বিস্তারে, করে চলে দিনরাত বাস্তবের ধ্যান, জেনে, বা, না জেনে। মানুষ নিজেকে চেনে। মানুষ এগোয়। মানব-মানবী। এরই নমুনা-চয়ন এই বই-এ। গানে-কবিতায়, কথাসাহিত্যে, গদ্য-মনয়িাম। সবই বাংলার। এক প্রজন্ম থেকে আর-এক প্রজন্মে। তবে শুরু রবীন্দ্রনাথে; শেষ, বর্তমানের ঘটমানতায়-তার মানে অনিরুদ্ধ সীমা। সম্ভাবনার আভাস শুধু উঁকি দেয় যদি। অবশ্য যা আশা করি, তার। দেখা-অদেখা, দুই-এর ওপরেই তা দাঁড়ায়।