দি ওয়ার অফ দি ওয়ার্ল্ডস সমস্ত বিজ্ঞান-কল্পকাহিনির মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী বই। পৃথিবীতে এলিয়েন আক্রমণের প্রথম আধুনিক গল্প এটি।
যে সময় কেবল সায়েন্স ফিকশন ঘরানার বই প্রকাশ করা শুরু হয়েছে, তখনই দি ওয়ার অব দি ওয়ার্ল্ডস বইটি প্রকাশিত হয়। শুধু বিজ্ঞানের কল্পকাহিনির জন্যই বইটি বিখ্যাত নয়। বরং বইটিতে ঔপনিবেশিকতার সমালোচনা, মানবিকতা ও নৈতিকতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন ও সংকটকালীন মানুষের প্রতিক্রিয়াকে সুস্পষ্ট ও সুচারুভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এইচ জি ওয়েলসের প্রথম দিকের বই এটি। বইটির কাহিনি এমন―মনে হয় যেন লেখক তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছেন। সেজন্যই বইটি আরো প্রাণবন্ত আর জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
১৮৯৮ সালে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ওই সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পৃথিবী অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। অথচ মঙ্গলবাসীর সাথে মানুষের অসম যুদ্ধ ও অস্ত্রশস্ত্রের বর্ণনায় মনে হয় যেন, এই তো সেদিনের ঘটনা!
বিস্ময়কর এই বর্ণনায় লেখকের কল্পনাপ্রবণ মনের আধুনিকতার প্রকাশই তো ঘটে! যার কারণে বইটি আজও অনন্য আর সর্বোচ্চ স্বীকৃত এক সায়েন্স ফিকশন।