নিরিবিলি দরজা দিয়ে বের হবে এমন সময় ওর মাথা ঘুরে উঠলো। শরীরে এক ধরনের তীব্র ও তীক্ষ্ন যন্ত্রণা অনুভব করলো ও। পেছন থেকে কেউ একজন ওর ঘাড়ে সুচ ঢুকিয়ে দিয়েছে। ও মাটিতে পড়ে গেলো। চোখের সামনে সব ঘন কুয়াশার মতো ঢেকে যাচ্ছে। সেই কুয়াশা ভেদ করে স্নেহা দৌড়াচ্ছে; স্নেহার পেছনে আরেকজন। নিরিবিলি চোখ খোলা রাখতে পারছে না। শরীর অসাড় হয়ে এসেছে। পৃথিবী ওর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। স্নেহা লতা-পাতা শিকড়-বাকড় সব উপেক্ষা করে প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে জঙ্গলের মধ্য দিয়ে। সামান্য পেছনেই মানুষরূপী জন্তু ধাওয়া করছে ওকে। দৌড়াতে দৌড়াতে যখনই দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা ঠিক তখনই জঙ্গলের শেষ মাথায় চলে এলো ও। জঙ্গল শেষ করে রাস্তায় উঠতেই একটি চলন্ত গাড়ির ধাক্কায় ছিটকে পড়লো স্নেহা। সঙ্গে সঙ্গে রক্তে ছেয়ে গেলো রাস্তা। গাড়ির চালক গাড়ি থেকে নেমে স্নেহার সামনে এসে দাঁড়ালো। স্নেহা ক্লান্ত চোখে মানুষটির মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। মানুষটিকে ও হাজার বছর ধরে চেনে।