হতে পারে এটি একটি কুঁড়েঘর, ছোট্ট, টুটাফুটা। তবুও তো নিজের। শুধু কী তাই? এই ঘরের সাথে কত স্মৃতি জড়িত, এই ঘরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে তার স্বামী এবং একমাত্র ছেলে। সেই ঘর কী বললেই ছেড়ে দেয়া যায়? কিন্তু জমিদার যে উঠে পড়ে লেগেছে তাকে তার রাজবাড়ীর সামনে থেকে বিতারিত করতে। এই এক টুকরো জমি আর পাঁচ বছরের অনাথ নাতনীই এখন বিধবা বুড়ির সম্বল। সে সিদ্ধান্ত নিল এখান থেকে এক পাও নড়বে না, যাবে না।
জমিদার অনেক চেষ্টা করলেন বুড়িকে সেখান থেকে উচ্ছেদ করতে। কিন্তু বুড়ি অনড়। জমিদার ইচ্ছে করলেই পেয়াদা পাঠিয়ে বুড়ির জমিটা দখল নিতে পারেন, কিন্তু সে পথে তিনি যেতে চান না। জমিদার একটি অসহায় বিধবা বুড়ির জমি জবর-দখল করবে ।