দোষটা সোনালিরই। ও যদি না সেদিন জোর করে আমার হাত থেকে পেনটা কাড়তে যেত, তাহলে হয়ত ওটা কখনই নিচে পড়ত না। পেনটা স্কুলে নিয়ে যেতে মা আমাকে অনেকবার বারণ করেছিল।
কিন্তু পেনটা এত সুন্দর, মজাদার আর অদ্ভুত ধরনের ছিল যে আমার নিজেরই ইচ্ছে করত স্কুলে নিয়ে গিয়ে সবাইকে দেখাই। রোজ পেনটাকে নিয়ে নাড়াঘাঁটা করতাম আর আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখতাম। বিদেশি পেন। মাসি গিফ্ট করেছিল। মা প্রায় রোজ বলত- “পেনটা কিন্তু খুব দামি। যত্ন করে রাখবি।” লেখার সময় পেনটা থেকে যখন আলোর ছটা বেরোত, তখন কি ভালো যে লাগত!