হোসে পালাসিওস, যে ছিল তাঁর সবচাইতে পুরনো চাকর, তাঁকে চোখদুটি খোলা অবস্থায় নগ্নশরীরে বাথটাবের পরিশোধিত স্নানজলে ভাসতে দেখে ভাবল, তিনি হয়তো ডুবেই মরেছেন। যদিও সে জানত এটা তাঁর সুগভীর চিন্তামগ্নে মনোনিবেশ করার অনেকগুলো পদ্ধতির একটি। কিন্তু তখন যেমন আধ্যাত্মিকতার পরমানন্দে তিনি ভেসে ছিলেন, যা দেখে স্পষ্টতই মনে হতে পারে তিনি আর এ জগতে খুব বেশি দিন টিকবেন না।
তথাপিও সে নিকটবর্তী হবার দুঃসাহস দেখাল না বরং ভোর পাঁচটার আগে জাগিয়ে দেওয়ার যে নির্দেশটা ছিল, সেটা পালন করতেই সে নিয়ন্ত্রিত কণ্ঠের শান্ত-স্বরে ডাকল যেন তারা ভোর-ভোর এখান থেকে চলে যেতে পারে।
জেনারেল জেগে উঠলেন তার সুগভীর প্রশান্তির জলজ সমাধি থেকে আর আধো-আলো-অন্ধকারে দেখতে পেলেন, একজোড়া স্বচ্ছ নীল চোখ ও কাঠবিড়ালির ন্যায় ধুসর কোঁকড়ানো চুলে র্নিলিপ্ত গাম্ভীর্যের সাথে যে তাঁকে....