স্নায়ু-যুদ্ধের সময় তখন...
আচমকাই পূর্ব জার্মানির সরকারি লোকজনের ভেতর লুকিয়ে থাকা ব্রিটিশ এজেন্টদের খুঁজে খুঁজে খুন করা হতে লাগল। ওখানকার ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অ্যালেক লিমাসের চোখের সামনেই তার সর্বশেষ আর সবচেয়ে বিশ্বস্ত এজেন্ট কার্ল রিয়েমেক গুলি খেয়ে মারা পড়ল। ত্যক্ত-বিরক্ত-হতাশ লিমাস সিদ্ধান্ত নিল যে সার্ভিস ছেড়ে দেবে। ওপরওয়ালারাও তাকে ছেড়ে দিতে সম্মত হলো, কিন্তু একটা শর্তে। যাওয়ার আগে সর্বশেষ আর একটা মিশন-- আচমকা এইসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন করতে হবে, সেই সাথে উচিত শিক্ষা দিতে হবে ইস্ট জার্মানি কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের চিফ মুন্ড্টকে।
কাজের স্বার্থ দেশদ্রোহী সাজল লিমাস-- যোগ দিল পূর্ব জার্মানির পক্ষে। সাথে আছে তার পাঁড় কমিউনিস্ট গার্লফ্রেন্ড। কিন্তু একের পর এক পরস্পরবিরোধী তথ্য-প্রমাণে মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হলো তার। নিজের ছায়াকেও যেন বিশ্বাস করা দায়! দীর্ঘ পেশাগত জীবনে, লিমাস এর চাইতে জটিল কিছুতে আটকা পড়েনি কখনো। কিন্তু প্যাঁচ খুলতে যেতেই নিজের অস্তিত্ব-- নিজের পরিচয়ের ভিত্তিটা ধরে নাড়া খেয়ে গেল তার। ব্যাপারটা কি শাপে বর নাকি বরে শাপ হয়ে এলো তার জন্যে?