বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
আরিনার জীবনে আজ দারুণ আনন্দের দিন। তার আমেরিকায় ডক্টরেট করতে যাওয়ার ফেলোশিপের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং তাকে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। সে কাজ করবে জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ও বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের প্রধান ড. ব্রাউনের সাথে তিনি কাজ করছেন এআই রোবটের উপর। গবেষণার প্রধান বিষয়বস্তু, কি করে হিউম্যান লাইক র্আৎ মানুষের মত এআই নিয়ন্ত্রিত উচ্চ বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবট তৈরি করা যায়।
অচিরেই আরিনার স্বপ্ন, দুঃস্বপ্নে পরিণত হল। সে ক্রমে উপলব্ধি করলো, বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্রছাত্রীদের ফেলোশিপের প্রলোভন দেখিয়ে আনা ছিল ড. ব্রাউনের সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য। আসলে তিনি হিউমান লাইক রোবট নয়, বরঞ্চ রোবট লাইক হিউমান তৈরি করতে চান। যেসব হিউমানদের তিনি তার নিজের দাস বানিয়ে রাখতে পারবেন, ইচ্ছামত কাজ করাতে পারবেন।
খুব সূক্ষ্ম একটি প্রসিডিউরের মাধ্যমে মাথার মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট কক্ষে একটি ছোট্ট মাইক্রোচিপ বসিয়ে য়ো হবে। এই চিপের মাধ্যমে ড. ব্রাউন তাঁর যাবতীয় আদেশ, নির্শে, করনীয় বার্তা এআই মানবের মস্তিষ্কে প্রেরণ করবেন। ভয়ে আরিনার হাতপা ঠাণ্ডা হয়ে এলো। এই ভয়ংকর কুঠুরি থেকে তাকে বাঁচাবে কে।
ড. ব্রাউনের গভীর ষড়যন্ত্রের ফাঁদ উম্মোচন করবে কে।