ঈশ্বরদি রেলস্টেশনের ফার্স্টক্লাস ওয়েটিংরুমে শমিকে দেখে আমি ভ'রে উঠি সুগন্ধে ও জ্যোৎস্নায়; আমার ভেতরে ঢোকে একরাশ নীলকমলের সুগন্ধ; শমির মুখ থেকে ফাগুনপূর্ণিমার অমল জ্যোৎস্না গ'লে প'ড়ে ওয়েটিং রুমটিকে ক'রে তুলেছে শুচিশুভ্র; শমির ওই মুখ আমাকে ভ'রে দেয় সৌন্দর্য ও স্বপ্নে; আমি দেখি, ছোটোবেলার স্বপ্নেদেখা রাজকন্যা ব'সে আছে আমার সামনে।
রাজকন্যার হরিণচোখের তারায় স্থির হয় না আমার শুভদৃষ্টি; অপরূপ ভ্রূভঙ্গি টেনে রাজকন্যা আড়াল করে ওর জ্যোৎস্নারমিত মুখ। রাজকন্যার গ্রীবার চন্দ্রিমায় বিমুগ্ধদৃষ্টি ফেলে আমি হই স্বপ্নচারী। এই গ্রহে আমার প্রিয়শ্রেষ্ঠ জায়গাগুলোর একটির নাম ঈশ্বরদি জংশন। একুশ বছর আগে এ-জংশনেই শমির সঙ্গে আমার হয়েছিলো প্রথম দেখা, শমি ও আমি ছিলাম তখন বারো বছরের বালক-বালিকা। শমিকে মধ্যবিন্দু ক'রে রাজকন্যাঘটিত স্বপ্ন দেখার সেই ছিলো আমার শুরু। বালকবেলার স্বপ্নে সহযাত্রী রাজকন্যাকে বাহুবন্দি ক'রে আমি কখনও চড়িনি ময়ুরপঙ্খি নৌকায়,