অতীতে বহুবার ফাহিয়ানের মুখোমুখি হয়েছে জিশা। সময় কেটে গেছে কথায় কথায়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ফাহিয়ানের চিন্তাভাবনাকে নতুন রূপ দিয়েছে। ওর জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে উপকৃত হয়েছে বিজ্ঞানীরা অথচ ওর প্রাপ্তির ঝুলি সব সময় শূন্য থেকেছে। নিজেকে তাই ধীরে ধীরে সরিয়ে এনেছে। সে এখন একা কিছু করতে চায়, এই পৃথিবীকে নতুন কিছু দিতে চায়। ফাহি- য়ানকে এখন সে এড়িয়ে চলে। ফাহিয়ানের মুখোমুখি বসে থাকতে ওর ভালো লাগছে না আজ। আবার উঠে চলেও যেতে পারছে না।
সময় যত যাচ্ছে জিশা ততই বিরক্ত হচ্ছে, মন অস্থির হয়ে উঠছে। কাজ ছাড়া এভাবে অর্থহীন বসে থাকতে কেবল অলসরাই পারে। যারা বসে বসে স্বপ্নের জাল বোনে, সুখ বোনে আর তৃপ্তির ঢেকুর তুলে বলে, এই তো জীবন। জিশা সোফা ছেড়ে দাঁড়িয়ে বলল, আজ আমি উঠি স্যার।
ক্রিস্টাল গ্লাসে শেষ চুমুক দিয়ে ফাহিয়ান বলল, তোমার গ্লাস এখনো পূর্ণ আছে। ওটা শেষ করো।