যতদূর চোখ যায় মেঠো পথ আর ধানি জমি, সবুজের সমারোহে যেন সকলের প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এই জন্যই হয়তো এ দেশকে চিরসবুজের দেশ বলা হয়। সবুজাভ প্রকৃতি আর ভালোবাসাময় সকালে মেতে থাকে গ্রামের লোকজন। সুর্যাস্তে যে তারা গল্প গুজবে ডুবে থাকে না সেটা বললে ভুলই হবে। পথের মাঝে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা বটগাছ যেন দুই গ্রামের সীমানা। বটগাছের এপাশে একটি গ্রাম আর ওপাশে আরেকটি গ্রাম। আঁকাবাঁকা রাস্তা যেন একটি উচ্ছ্বাসিত রেখার মতো আলাদা করেছে গ্রাম দু'টিকে।
একটি লালখান অন্যটি কাজলদিঘী। ঠিক যেন এক মায়ের দুই সহোদর ভাই। শোনা যায় আগে লালখান আর কাজলদিঘী সম্মিলিত একটি গ্রাম ছিল। সেসময় গ্রামের নাম ছিল লাল-কাজলদিঘী।
লাল-কাজলদিঘীর জনসংখ্যা ছিল হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার। কিন্তু ধিরে ধিরে জনসংখ্যা বাড়তে থাকে, প্রয়োজন হয় বেশি বসতির। পরে অবশ্য সেজন্যই জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আয়তন বাড়ানো হয়।