“ফেরদৌসী শাহানামা" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ
তিনি মহাকবি ফেরদৌসী। জাতীয় মহাকাব্য রচনার জগতে ফেরদৌসী সর্বকনিষ্ঠ এবং সর্বাধুনিক। হাজার বছর আগে রচিত তাঁর শাহানামা এক অনন্যসাধারণ কাব্য। চার হাজার বছরের ইরানের কথা-কিংবদন্তী, লােকবিশ্বাস এবং ইতিহাস শাহনামাতে বিবৃত হয়েছে। উনচল্লিশ জন রাজা, শতাধিক মহৎ বীর এবং সহস্রাধিক মানবমানবী শাহনামা কাব্যের উজ্জ্বল চরিত্র।
শাহনামা কেবল রাজা-বাদশাদের কথা নয়, কেবল বীরের যুদ্ধপ্রান্তরের বিবরণ নয়, দেও-দৈত্য সংহারের কাব্য নয়-শাহনামা বিচিত্র মানবমানবীর কামনা-বাসনা, আনন্দ-বেদনা আর অশ্রুধারার মহান কাহিনী। যারা প্রধান তাঁরা যেমন শাহনামাতে সমুজ্জ্বল হয়ে আছেন, তেমনি যারা অপ্রধান তাঁদেরও কমকণ্ডে মুখরিত হয়ে আছে এই কাব্য।
মহাকবি ফেরদৌসী বলেছেন, দীর্ঘ ত্রিশ বছর সাধনা করে এ ফারসি কাব্যের মাধ্যমে আমি ইরানকে পুনরুজ্জীবিত করে। গেলাম। অনেক অর্থময় বাণীর মণিমাণিক্য দিয়ে শাহনামা রচনা করেছি আমি।
শাহনামা কাব্যে অসংখ্য মানবমানবী, অজস্র ঘটনারাজি। তার থেকে কতিপয় উজ্জ্বল এবং প্রিয় কাহিনীর সমন্বয়ে এ গদ্যগ্রন্থটি সজ্জিত করা হয়েছে। শাহনামার হৃৎপিণ্ডরূপ কাহিনী রুস্তম-সােহরাব এ গ্রন্থের প্রধান অন্যতম কাহিনী।