ভূমধ্যসাগরের পূর্বে ১০৪২৯ বর্গমাইলের দেশ ফিলিস্তিন। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে সেখানে। হত্যা, খুন, গুম সেখানকার নিত্যদিনের ঘটনা। দখলদার ইজরাইলি পাপিষ্ঠরা ফিলিস্তিনিদের স্বীয় মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত করার বীভৎস খেলায় মেতে উঠেছে। অথচ গল্পটা ছিল ভিন্ন!
সারা পৃথিবীতে প্রত্যাখ্যাত ইহুদিরা উদার ফিলিস্তিনিদের সরলতার সুযোগে পবিত্র ভূমিতে গেঁড়ে বসে। কৌশলে দখল করতে থাকে ফিলিস্তিনিদের ভূমি।
আরবদের অভ্যন্তরীণ দলাদলি আর আমির-ওমরাদের ঔদাসীন্য ইজরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্রের ভিত মজবুত করে দেয়। নিজভূমে পরবাসী হয়ে ওঠার বেদনার উপাখ্যান তৈরি হয়। সেই উপাখ্যান প্রতিবিম্বিত হয়েছে ‘ফিলিস্তিনের বুকে ইজরাইল’ গ্রন্থে।
নিঃসন্দেহে ফিলিস্তিনিরা আল-কুদসের অধিক হকদার এবং আরবদের ওপর এর রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব বেশি। কিন্তু আল-কুদস কেবল ফিলিস্তিনিদের নয়। শুধুমাত্র আরবদেরও নয়। বরং আল-কুদস প্রতিটি মুসলিমের। চাই সে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের বাসিন্দাই হোক না কেন!
আল-কুদস ও ফিলিস্তিনের পুনরুদ্ধার পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব। চাই সে শাসক হোক বা শাসিত, ধনী হোক বা গরীব, শিক্ষিত হোক বা নিরক্ষর।
সুতরাং হে মুসলিম উম্মাহ, সময় চলে এসেছে, বিপদ সংকেত বেজে গিয়েছে। মসজিদে আকসা তোমাদেরকে ডাকছে। তোমরা জেগে ওঠো এবং আল-কুদস ও মসজিদে আকসাকে উদ্ধার করো।
–ড. ইউসুফ কারজাভি
ইহুদি প্রফেসর নরম্যান ফিঙ্কেলস্টিনের বই দ্য হলোকাস্ট ইন্ডাস্ট্রি কেন গোটা ইহুদি জগতের ভীত নাড়িয়ে দিয়েছে? কেন মার্কিন ইহুদিরা শুরুতে ইসরাইলের প্রচন্ড বিরোধী ছিল? আমেরিকা-ইসরাইলের দহরম-মহরম সম্পর্ক কবে থেকে এবং কীভাবে এর সূচনা? ইহুদি হলোকাস্ট নিয়ে পৃথিবীজুড়ে কেন এত শোরগোল? হলোকাস্টকে পুঁজি করে কীভাবে বিলিয়ন ডলারের চাঁদাবাজ ইন্ডাস্ট্রি দাঁড় করিয়েছিল মার্কিন ইহুদিরা? আমেরিকা-ইজরাইল সম্পর্কের অজানা অধ্যায়সহ ইহুদিবাদের এক ঘৃণ্য ইতিহাস উঠে এসেছে এই বইয়ে।