গল্পটা আসলে কার? ক্যাপ্টেন রবার্ট ওয়ালটনের? যিনি সব ছেড়ে নতুন কিছু আবিষ্কারের নেশায় পাড়ি জমিয়েছিলেন অজানার পথে? নাকি ভিক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের? যিনি নিজের আবিষ্কারের নেশায় বুঁদ হয়ে জন্ম দিয়েছিলেন এক অদ্ভুত দানবের? নাকি সেই নামহীন দানবটার? যাকে ত্যাগ করেছিলেন তার স্রষ্টা? সমুদ্রপথে ক্লান্তিকর যাত্রায় হুট করেই অদ্ভুত এক লোকের সন্ধান পেয়ে গেলেন ক্যাপ্টেন রবার্ট ওয়ালটন। লোকটির নাম ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন। সব সময় মন মরা হয়ে থাকেন কেন ভিক্টর? কোন দুঃখ কুরে কুরে খাচ্ছে তাঁকে? কী হয়েছে তার? অবশেষে ভিক্টর বলতে শুরু করলেন সেই অপার্থিব কাহিনি। নিজের অর্জিত বিদ্যার মাধ্যমে এক দানবের জন্ম দিয়েছেন তিনি! যে দানব চেয়েছিলো মানুষের সাথে মিলে-মিশে থাকতে,কিন্তু মানুষ তাঁকে আপন করে নেয়নি! তাই পুরো মানবজাতির প্রতিই দানবটার জন্মেছে তীব্র ঘৃণা,নিজের স্রষ্টাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে সে… প্রথম দিকের কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস,তারপরেও বেশিরভাগ পাঠকই একে হরর বই হিসাবেই বিবেচনা করেন। হরর সাহিত্যের দ্বিতীয় সবচেয়ে বিখ্যাত বই এটি। এমন একটা বই যা আপনাকে বোঝাবে যে মানুষ যখন ঈশ্বরের ভূমিকা নিতে চায়,তখন কেমন ফলাফল আসে! কিন্তু শেষে,ওই শুরুর প্রশ্নটাই থেকে যাবে। গল্পটা আসলে কার?