বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
ছাতার মতো বগল দাবায় করে বউ নিয়ে আসেন মকবুল মিয়া। প্রথম স্ত্রী সায়কা বেগম দেখে তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন। দ্বিতীয় স্ত্রী দুলারী নাটক থিয়েটার নিয়ে ব্যস্ত থাকে। প্রেমিক এবং প্রেম থাকা সত্ত্বেও মকবুল মিয়ার সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়। মকবুল মিয়া রসিক ধরনের মানুষ। হেসে-খেলে জীবন কাটাতে চান। কবিরাজি বিদ্যার প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে তার। অসুখ-বিসুখে লতা-পাতা দিয়ে নিজেই চিকিৎসা করেন। কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী দুলারী জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যর্থ হন তিনি। অসময়ে দুলারীর মৃত্যু ঘটে।
ওর লিখা ডায়েরি পড়ে মৃত্যু পরবর্তীসময়ে অনেক কিছুই জানা যায়। মানুষ তার প্রেমকে আগলে রাখতে চায়। দুলারী সে কথাই ডায়েরির পাতায় পাতায় লিখে রেখেছে। প্রেমিক জিসান বিষয়টি কিভাবে নেবে সেটিই দেখার বিষয়!! মানুষ বড় অসহায় অসহায় জীবনটা জুড়ে প্রেম-ভালোবাসারই তালাশ করে মানুষ। দুলারীর প্রেম যেন হাহাকার শব্দ তুলে বিঁধে যায় বুকের মধ্যিখানে।