একদিন হযরত ওমর (রাঃ) মদ পান করার জন্য মদ বিক্রেতার কাছে গেলেন। াকন্তু সেখানে গিয়ে মদ বিক্রেতাকে না পেয়ে মদ পান করা আর হলো না। তিনি মনে মনে বললেন, আমি কা’বা ঘরে গিয়ে তাওয়াফ করব। ইচ্ছমতো তিনি কা’বা ঘরের দিকে রওনা দিলেন। সেখানে গিযে দেখলেন তাঁর আগে রাসূল (সাঃ)কা’বা ঘরে প্রবেশ করেছেন। তখন হযরত ওমর (রাঃ) ভাবলেন যে, লুকিয়ে লুকিয়ে মুহাম্মদ কি পাঠ করে তা শুনব। ওইদিকে রাসূল (সাঃ) হালকা উচ্চৈাঃস্বরে কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন। কুরআন তেলাওয়াতের আওয়াজ গিয়ে হযরত ওমর (রাঃ) এর অন্তরে লেগে গেল। তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনতে লাগলেন। কোরআনের মিষ্টিতা তার মনকে ভরে দিল। তিনি বলতে লাগলেন, আল্লাহর শপথ ! কোরাইশদের কথা ঠিক, মুহাম্মদ অবশ্যেই একজন কবি।
রাসূল (সাঃ) তাঁকে দেখতে পাননি, তিনি ধারাবাহিক ভাবে একের পর এক আয়াত তেলওয়াত করছিলেন ............
‘নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সন্মানিত রাসূলের আনীত। এবং এটা কোনো কবির বাণী নয়, তোমরা কমই বিশ্বাস কর।’
(সূরা হাক্বাহ্ : ৪০,৪১)
এ আয়াত শুনে হযরত ওমর (রাঃ) বললেন, অবশ্যেই মুহাম্মদ একজন গণক হবে।
ওই দিকে রাসূল (সাঃ) তেলওয়াত করে যাচ্ছিলেন ............
‘এটা কেনো গণনাকারীরও কথা নয়, তোমরা কমই অনুধাবন কর।’ (সূরা হাক্বাহ্ : ৪২)
এ আয়ত হযরত ওমর (রাঃ) এর হ্রদয়কে নাড়া দিল।
এরপর ঘটে গেল অন্য স্মরণীয় এক ঘটনা ...............
হযরত ওমর (রাঃ) তরবারি নিয়ে রাসূল (সাঃ) কে হত্যার করতে বের হলেন। তিনি এক দল লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যারা একটি বাছুর জবাই করছিল। তখন বাছুরের থেকে আওয়াজ আসছিল, হে কঠিন শত্রুতা পোষণকারী ! এক স্পষ্টভাষী মুক্তির কথা বলছে, আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই।
ওই আওয়াজটি একজন জ্বীনের ছিল। তখন হযরত ওমর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ ! সে আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেনি।