সময় আর জীবনযাপন এক সমান্তরাল গতিতে এগিয়ে চলে। জীবনের আলোকোজ্জ্বল পাতার বিপরীতের যে অন্ধকার দিক তা সামনে এলে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয় স্বপ্ন। চোখের সামনে থাকা মানুষগুলোকে বড্ড অচেনা লাগে। খুব বিশ্বাস করা মানুষটার ধোঁকা হয়তো মেনে নেয়া যায় না কিন্তু জীবন এমন এক বাঁকে নিয়ে এসে দাঁড় করিয়ে দেয়, যেখানে নেতিবাচক চরিত্রটা নিজেই।
ভরদুপুরে এক আগন্তুক এসে পরিবারে যেন গ্রহণ লাগিয়ে যায়। রাইসুল আর শামসাদ খানমের সংসার ভাঙতে শুরু করে। সন্তান ঈষিতা, ইরফানও এর অংশীদার হয়। নিজ নিজ জীবনের যুদ্ধটা একার হয়ে পড়ে। বন্ধু রঞ্জুকে হারিয়ে ইরফান এক সত্যকে খুঁজতে একাই বেরিয়ে পড়ে। অতসীর পর মঞ্জু আসে সামনে। দেবী প্রজ্ঞাপারমিতা আসলে কী চান? ইরফান কি পেয়েছিল খুঁজে নিজ জীবনের গন্তব্য?