ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা
*“সব যেন কীটদষ্ট, ব্যাধিদৃষ্ট, পচাধরা, গলিত ক্যানসার। মৃত সম্পর্কে র জের টেনে মৃত মানুষেরা বেঁচে থাকার ভান করছে। সুজাতার মনে হল অমিত, নীপা, বলাই এদের গায়ের কাছে গেলেও বোধহয় শবগন্ধ পাওয়া যাবে। এরা ভ্রুণ থেকেই দুষ্ট, দুষিত, ব্যাধিগ্রস্থ। যে সমাজকে ব্রতীরা নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল সেই সমাজ বহুজনের ক্ষুধিত অন্ন কেড়ে নিয়ে এদের সযত্নে রাজভোগে লালন করে, বড় করে। সে সমাজ জীবনের অধিকার মৃতদের, জীবিতদের নয়। কিন্তু বলাই কি বলছে? ধীমান কে? ধীমান রায়? যার কথা নন্দিনী বলল? সুজাতা দেখলেন একটি অত্যন্ত ফর্সা মেয়ে শালের ম্যাক্সি পরে হাতে গেলাস নিয়ে বলাইয়ের কাঁধে হাত রাখল।” তারপর-----? তারপর প্রত্যেকটা সুখী-অস্তিত্বের সুখ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা এক ধ্রুব সত্যকে জানতেই হাজার চুরাশির মা; লেখকের শতাধিক বইয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বই।