ছোট্ট গ্রাম সুন্দরপুর।একটি নদীও আছে গ্রামের উত্তর প্রান্তে। মহকুমা থেকে বারো মাইল, রেল স্টেশন থেকেও সাত-আট মাইল।গ্রামের মুস্তফি বংশ একসময়ে সমৃদ্ধিশালী জমিদার ছিলেন, এখন তাঁদের অবস্থা আগের মতো না থাকলেও আশেপাশের অনেকগুলি গ্রামের মধ্যে তাঁরাই এখনও পর্যন্ত বড়োলোক বলে গণ্য, যদিও ভাঙা পুজোর দালানে আগের মতো জাঁকজমকে এখন আর পুজো হয় না- প্রকাণ্ড বাড়ির যে মহলগুলোর ছাদ খসে পড়েছে গত বিশ-ত্রিশ বছরের মধ্যে, সেগুলো মেরামত করবার পয়সা জোটে না, বাড়ির মেয়েদের বিবাহ দিতে হয় কেরানি পাত্রদের সঙ্গে- অর্থের এতই অভাব।