ঘটনা একসময় পুরোনো হয়ে যায় বলে মানুষ দাবি করে। লিজা সেটা মেনে নিতে পারে না। ওর মনে হয় অতীতেই সব কিছু লুক্কায়িত থাকে। অতীতের আঁচড়ে মানুষ সদাই ক্ষতবিক্ষত। বাস্তব মাটিতে কবর হলেও মনের বাসনার কখনও কবর হয় না। লিজা তার পঁয়ত্রিশ বছরের গত হওয়া জীবনের দিকে তাকালেই সেটা স্পষ্ট বুঝতে পারে। প্রবহমান জীবনের আঙিনা তার বড়ই কোলাহল পূর্ণ।
লিজার সঙ্গে তার বাবা আলী হোসেনের বন্ধু জুবায়েরচাচা থাইল্যান্ড থেকে মাঝে মাঝেই যোগাযোগ করেন। ওখানে বেড়াতে যেতে বলেন। লিজা ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি দেশে বেড়াতে গিয়েছে তার বাবার সঙ্গে। থাইল্যান্ডে পাঁচ বছর আগে একবার যাওয়া হয়েছিল। তখন জুবায়ের দেশেই থাকতেন। দুবছর আগে তিনি ছেলে-বউয়ের নাতি-নাতনির সাথে থাইল্যান্ডে অভিবাসী জীবন কাটাচ্ছেন। লিজা মনস্থির করেছে জুবায়েরচাচার কাছে জামি আর সালমানকে নিয়ে বেড়াতে যাবে।