বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ছোট্ট একটা শহরে এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে কাজলের জন্ম। কাজল যখন জন্মগ্রহণ করে তখন ছোট্ট সে শহর উপজেলা নাম ধারণ করেনি। থানা শহর হিসেবে পরিচিত থাকলেও তাকে থানা না বলে গ্রাম বলাই ভালো। তখনো সে গ্রামে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। সেখানে অনেকের জীবন অভাব, দুঃখ, কষ্ট ও দারিদ্র্যের মাঝে কাটলেও কারো কারো জীবনযাত্রা ছিল প্রাচুর্যময়।
কাজলের সে গ্রামে কিছু কিছু মানুষের মাঝে প্রায় প্রতিনিয়ত ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত। অতি সামান্য কোনো বিষয় নিয়ে ঝগড়া করা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি অংশ ছিল। তবে ঝগড়াঝাঁটির পাশাপাশি সে গ্রামের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা এবং সম্প্রীতিও ছিল বেশ। অতি ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে সেখানে কেউ কেউ মারাত্মক শত্রুতে পরিণত হত। আবার কারো চরম বিপদে অনেকেই নিজের সর্বস্ব নিয়ে সাহায্যের হাত বাড়াত। এমনই একটি গ্রামীণ সমাজে কাজলের বেড়ে ওঠা।