একজন মানুষ কাউকে কোন কাজের দায়িত্ব দিলে বা প্রতিনিধি বানালে কেবল ঘোষণা দিয়ে বা অর্ডার করে ছেড়ে দেয় না। বরং প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাকে প্রদান করে এবং বিধি-বিধান ও নিয়ম-কানুন তাকে জানিয়ে দেয়। যাতে সুচারুরূপে সে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়। তদ্রূপ আল্লাহ তায়ালাও মানুষকে এ দুনিয়ায় কেবল প্রতিনিধি করে ছেড়ে দেন-নি। এ গোটা বিশ্ব জগৎ ব্যবহার ও ভোগ করার অধিকার প্রদানসহ তিনি মানুষকে প্রদান করেছেন নিয়ম-নীতি,আইন-কানুন তথা প্রতিনিধিত্ব করার সংবিধান। যাকে আমরা আল্লাহর কিতাব বলে জানি। তদুপরি এ সংবিধানের নিয়ম-নীতি বাস্তবায়ন ও বিশ্লেষণে যাতে মানুষ ভুল-ভ্রান্তির শিকার না হয় সেজন্য তিনি যুগে যুগে প্রেরণ করেছেন অসংখ্য নবী ও রাসূল। এ সিলসিলার দীর্ঘপথ অতিক্রম করে আমরা পেয়েছি আইনগ্রন্থ ও সংবিধান হিসাবে সমূহ ঐশী গ্রন্থের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ মহাগ্রন্থ আল-কুরআন। আর রাসূল হিসাবে পেয়েছি সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল,নবীকুল শিরমণি,মহানবী,বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স) কে । যিনি আল-কুরআনের আলোকে দীর্ঘ তেইশ বছরের নবুয়তী জীবনে আমাদের সামনে কেবল মুখে আল্লাহর প্রতিনিধিত্ব করার নিয়ম-নীতির ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ-পদ্ধতি পেশ করেন-নি,বরং তাঁর জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ওগুলো বাস্তবায়িত করে.