স্টেশনের গা ঘেঁষে কারখানার লম্বা শেড। গেটের পাশে পিতলের ফুলকেও নাম লেখা আছে-ছোট ছোট অক্ষরে। আলকাতারা দিয়ে বাইরের দেওয়ালে বিরাট বেমামান হরফ লেখা-নব শিল্পমন্দির।br এই ছোট নগণ্য স্টেশনটি ঘেঁষে একক শিল্প প্রচেষ্টার অভিনবত্বের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এত বড় হরফ সন্দেহ নেই। কিন্তু পথের সঙ্গে সমান্তরালভাবে গড়া ইটের দেওয়াল ও টিনের ছাওনিওলা লম্বাটে চালা ও লোহার চিমনিটাই সে কাজ আরও ভালোভাবে করছে, বেখাপ্পা হরফ দিয়ে এ রকম ঘোষণার কোন দরকার ছিল না। নজরে পড়ার মত এরকম আর কিছুই নেই স্টেশনে বা আশেপাশে। স্টেশনের সংলগ্ন লাল ইটের ঘর কয়েকটি যতদূর সম্ভব ছোট এবং সংক্ষিপ্ত। স্টেশন মাস্টারের দু'কামরার কোয়ার্টারটি দেখলে মনে হয় ছাদে মাথা ঠুকে যায় না তো, পা ছড়িয়ে শুতে পারে তো? পথের দুপাশে শুধু খর ও টিনের কতকগুলি ঘর এবং চালা, মাত্র কয়েক ঘর মানুষের বসবাস ও দোকান চালাবার প্রয়োজনে এগুলি উঠেছে।