বাবার অনুপস্থিতিতে বাড়িটা যেন একটু ফাঁকা হয়ে গেল; কিন্তু মা আর ছেলে সেই ফাঁকটা ভরে নিল নিজেদের হাসি, নিজেদের সাহসে। একজন একক মা, যিনি কখনও থামেন না; নিজেকে সন্তানের দুর্গ, ঢাল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং তারা দু’জনে পরম মমতা ও ভরসায় একে অপরের হাতে হাত রেখে এগিয়ে চলে, কখনও বৃষ্টির নিচে, কখনও হাসপাতালের বারান্দায়, কখনও নিঃশব্দ স্কুলমর্নিংয়ে; জীবন নামক রণক্ষেত্রে বিশ্বাস ও ভালোবাসাকে অস্ত্র করে।
“ইট’স্ ওকে মা” ৭৬০০ শব্দে রচিত সেই সাহসের এক দীর্ঘ কবিতা। এই আখ্যানে, অপরিণত বয়সে শিশুটি শিখে গেছে- হিসাবে গড়মিল হলেও মায়ের হাত ধরে বলতে হয় “ইট’স্ ওকে মা”।
কবিতাটি পড়তে পড়তে আপনার দেখা হয়ে যাবে সেই চ্যাম্পিয়ন বাচ্চাটার সাথে- যে একটা হাসি টেনে নেয় ঠোঁটের কোণে, জুতোয় ফিতা বেঁধে বলে- “মা, লেটস্ গো, উই আর লেট!”
এই বই সে ই মায়েদের জন্য, যাদের হাত রোদে পুড়ে গেছে কিন্তু দৃষ্টি মলিন হয়নি। এটি শূন্যতার মাঝেও ভালোবাসা, সংকল্প ও নীরব আত্মত্যাগের মাধ্যমে টিকে থাকার এক মর্মস্পর্শী দলিল।