ফাদার সিরিয়াসলি ইল। কাম্ শার্প।
টেলিগ্রামটা পেত না দীপু, একটুর জন্য পেয়ে গেল। ডাল দিয়ে মেখে সবে দু'গরাস ভাত মুখে তুলেছে, এমন সময় টেলিগ্রাম পিওন এলো। খেয়েই বেরিয়ে পড়ার কথা, দুটো কুড়িতে চক্রধরপুরের বাস ছাড়বে, সেখান থেকে ট্রাক ধরে হেসাডি'র ডাক বাংলো-তার সেখানকার ঠিকানা কারুর জানার কথা নয়। অরূপ ভেবেছিল টেলিগ্রামটা তার। সে-ই ভাতের থালা ফেলে উঠে গিয়ে সই করে টেলিগ্রামটা নিয়েছিল। চাইবাসায় গত আটদিনের মধ্যে অরূপেরই তিনখানা চিঠি এসেছে, দীপু কোনো চিঠি পায়নি-একেবারে টেলিগ্রাম। টেলিগ্রাম সম্পর্কে অনেকেরই ভয় থাকে, অরূপেরও আছে, খাম ছিঁড়ে সেটায় চোখ বুলিয়ে ফ্যাকাশে মুখে বললো, দীপু, তোর-।
দীপুর বুক কাঁপে না, সে হাসতে হাসতেই চেঁচিয়ে উঠলো, সে কি রে, আমার নামে টেলিগ্রাম! তা হলে লটারির টিকিটটা পেয়ে গেলাম মনে হচ্ছে!
একথা বলার সময়েও দীপুর মনে ছিল, সে এ পর্যন্ত কোনোদিনই কোনো লটারির টিকিট কাটেনি। বাঁ হাতে টেলিগ্রামটা নিয়ে উরুর উপর রেখে চোখ বুলিয়ে সে বললো,