‘জীবনবৃত্তে’ মূলত লেখকের স্মৃতিকথা। স্মৃতির আঁধারেই বিধৃত হয়েছে ইতিহাস। শব্দের শৈলীতে জীবনের যে জলছবি এঁকেছেন তা সময়ের দর্পণে তিনি ধরে রাখতে চেয়েছেন জীবনবোধের মনোগ্রাহী বিশেস্নষণের মাধ্যমে। আর সেই অনুপুঙ্খ বিশেস্নষণে উঠে এসেছে বিগত কয়েক দশকের সমাজচিত্র,সোনালি শৈশবের হারানো দিন,বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্য-পুথি সাহিত্য,চৈত্রসংক্রামিত্মর সংস্কৃতি ও লেখকের বাবার দিনলিপির খেরোখাতায়। তাতে উঠে এসেছে মানুষের জীবনবোধ ও মনোলোকের পরিশীলিত ইতিহাস। লেখনীতে তুলে ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধ ও নেত্রকোণা জেলার কিছু কিংবদমিত্মতুল্য ও আলোকিত মানুষের গল্পগাথা। তাদের নিয়ে লেখকের সহজ-সরল,সাবলীল স্মৃতিচারণা বইটিকে আরো তথ্যসমৃদ্ধ করেছে। স্মৃতিকথা,জীবনবোধ ও আত্মজীবনীমূলক ২১টি স্মৃতিচারণা নিয়ে লেখা ‘জীবনবৃত্তে’।