জগুন আলি। চলন বলনে অদ্ভুত এক মানুষ। অদ্ভুত অদ্ভুত কাজ করতে দেখা যায় তাকে। বৈষয়ীক বিষয় তাকে আকর্ষণ করেনা। ফুলমতি। হঠাৎ করেই উপস্থিত হয় জঙন আলির জীবনে। জগুন আলিকে জড়াতে নানাভাবে তাঁর চারপাশে প্রলোভনের জাল বিছায়। মিরাজুল হক। স্বার্থান্বেষীদের চোখের বালি। শরাফত আলি। স্বার্থান্বেষী মানুষ। গরিবুল্লাহ্, কুলছুম, কালামসহ আরো অনেকেই আছে। জগুন অলির চারপাশে। তাদের নিজ নিজ চারিত্রের অলোকে। অজানা এক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। তা পৃথিবীর আনাচে কানাচে ছড়াচ্ছে। আতঙ্কে মানুষ দিক বেদিক হারিয়ে ছুটছে। বন্ধ হচ্ছে একে একে সড়ক, রেল, বিমানসহ জলপরিবহণ। বড় বড় শক্তিমান রাষ্ট্রগুলোও পরাজিত হচ্ছে। অতি দ্রুত অকোষীয় এক প্রাণীর কাছে। মানুষের লাশের সারিও বাড়ছে। চায়নার উহানে ফুলমতি। সে দেশে ফিরতে চায়। ফেরার সব পথ বন্ধ। ফুলমতি আশাবাদি। একজনের রয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। সে ক্ষমতায় তিনিই তাকে এ অবস্থা থেকে উদ্ধার করবেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবেন। কে সেই ক্ষমতাবান মানুষ? লকডাউনে জগুন আলি ছোটাছুটি করছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দেখা পেতে। কিন্তু কেন? মিরাজুল হক ও খাঁ খাঁ রাস্তায় ছোটাছুটি করছে। স্থানে স্থানে লকডাউন বাস্তবায়নকারীরা তাকে আটকে দিচ্ছে।