জমিদার শংকর রায়ের গুপ্তধন উদ্ধার করতে গিয়ে মহাবিপদে পড়ল শিশির আর লেলিন। প্রথমে হুমকি ধমকি দেয়া হলেও পড়ে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে দেয়া হলো তাদের জন্য। স্পষ্ট জানিয়ে দেয়া হলো তারা যদি চলে না যায় তাহলে তাদের হত্যা করা হবে। কিন্তু পিছু হটার পাত্র নয় শিশিলিনের ক্ষুদে দুই সদস্য শিশির আর লেলিন। দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে জমিদার শংকর রায়ের গুপ্তধন উদ্ধারে মনোনিবেশ করে তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠে না। মাটির নিচে গুপ্তঘরেই ভয়ংকর খুনি ইমরুল মেম্বার আর তার দলের লোকজনের হাতে বন্দি হয়ে পড়ে তারা। হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাদের ফেলে রাখা হয় গুপ্তঘরে। তাদের সঙ্গী বকুলেরও একই অবস্থা। সাহায্য করার মতো কেউ নেই। কারণ পৃথিবীর কেউ জানে না যে তারা জমিদারবাড়িতে গুপ্তঘরে বন্দি। এদিকে গুপ্তঘরের অক্সিজেনও শেষ হয়ে আসছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে তাদের। আর কিছুক্ষণ থাকলে নিশ্চিত মারা যাবে সবাই। শেষ পর্যন্ত কী শিশির লেলিন আর তাদের সঙ্গী বকুল বাঁচতে পেরেছিল? আর কি হয়েছিল জমিদার শংকর রায়ের গুপ্তধনের?