জ্যান্ত রােবট
আমাদের ছােট্ট মফস্বল শহরে খেলা দেখাতে এলাে মস্ত জাদুকর গ্রেট ক্যান্ডর। লােকটাকে ভূতুড়ে মনে হলাে আমার। প্রতি শাে-তে একজন। করে ছেলে কিংবা মেয়েকে সহকারী হিসেবে স্টেজে ডেকে নেয় ও জাদুর বাক্সে ঢুকিয়ে কিছুক্ষণ আবার ফেরত আনে। অদ্ভুতভাবে বদলে যায় তখন ছেলেমেয়েগুলাে। আমার বােন ফারিয়াকেও এভাবে বদলে দেয়ার পর আর সহ্য করতে পারলাম না। এই আজব রহস্যের সমাধান করতেই হবে আমাকে। ভূতুড়ে বাক্স
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। অন্ধকার হয়ে গেল পাড়াটা। ভূতুড়ে লাগল মেঘে ঢাকা চাদের ঘােলাটে আলাে। চিলেকোঠায় ঢুকে মােম জ্বালল জুলিয়া। খােলা দরজা দিয়ে এক ঝলক দমকা বাতাস এসে ঝাপটা মেরে নিভিয়ে দিয়ে গেল মােম। বুকের কাপুনি বেড়ে গেল ওর। কানের কাছে ফোস করে দীর্ঘশ্বাস ফেলল কে যেন। ঘরের ভেতর এক ধরনের ফ্যাকাশে আলাে। গলায় একটা শীতল স্পর্শে চমকে গেল সে। সাঁড়াশির মতাে আঙুল! চাপ বাড়ছে ক্রমে। শ্বাস নিতে পারছে না। গলা থেকে আঙুল ছাড়ানাের আপ্রাণ চেষ্টা করল। অদ্ভুত বাক্সটায় পা লেগে বিচিত্র শব্দ হলাে। মাথার মধ্যে অসংখ্য লাল-নীল তারা ফুটতে থাকল যেন। টলে পড়ে গেল সে।