পুরাণের ব্যাপারটায় হলফ নিলে হয়ত এটা বলা সম্ভব-বিন্দী জাত আগে আসলে ছিল না; চিন্তা করে গোবিন্দ গায়ের ময়লা থেকে পয়দা করলেন এই জাত! আবার পুরাণের দ্বিতীয় দফা দিব্যি মানলে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের দৃষ্টান্ত টানাটাই যথেষ্ট হয়। পাণ্ডব ও কৌরবদের সম্মুখ সমর অর্থাৎ কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে উভয় পক্ষের আঠারো অক্ষোহিণী সৈন্য মারা পড়লেও, বিন্দীদের গায়ে সামান্য আঁচড় পড়ে না। আঁচড় পড়বে কি করে? খেতে পাক বা না পাক, তারা বড্ড চালাক। যুদ্ধের তাণ্ডব দেখামাত্র তারা বুঝতে পারে-কুরুক্ষেত্রের ময়দানে থাকাটা অত্যন্ত বিপজ্জনক, নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকার পরেও পৈতৃক জান খোয়াতে হবে। নিজেদের মধ্যে শলা করে তারা পরস্পরের মতামত চায়-ক্যা ক্যারবে ভাইসগল?'
সিদ্ধান্ত জানাতে তাদের কালবিলম্ব হয় না-আরে এইসে ভাগ। ব্যস, পড়িমরি হিরম্বতী নদী ধরে দ্বারকা পিছনে ফেলে আদিপত্তন গাড়ে ভারতের মালদা, নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদে। তাদের একটা ক্ষুদ্র অংশ ফের নদীপথে ভাসতে- ভাসতে এসে পাড়ি জমায় এদেশে।