নবাবী আমলে কিছু অশ্বারোহী রাজকর্মচারী যুদ্ধের ময়দানে সংবাদ পরিবহনের কাজ করত। তাদের বলা হত কাসিদ। মহাকালের ডাকঘরে অনেক বার্তা এসে দিয়ে গেছে কালের কাসিদরা। একটু সচেতন মন নিয়ে তাকালে সেই বার্তাগুলো পড়া যায়। এর ভাব অনুধাবন করা যায়। সেই বার্তাগুলোকে পরম্পরায় সাজিয়ে একটা কিছু লেখার চেষ্টা থেকে কাসিদ—এর সুচনা।
এটা কোনো ইতিহাসগ্রন্থ নয়। একটি সৃজনশীল লেখা কল্পনার যে স্বাধীনতাটুকু দাবি করে, তা মেনে নিয়েই এই উপন্যাসটি লেখা। তাই এ উপন্যাসের অনেক ঐতিহাসিক চরিত্রের রূপায়ন ও বক্তব্য একান্তই লেখকের। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইতিহাসের বস্তুনিষ্ঠতার লক্ষণরেখা হয়তো অতিক্রম করে গেছে। এ অপরাধ পূর্বেই স্বীকার করে নেয়া হচ্ছে। তবে ঘটনাগুলোকে যথাসম্ভব বস্তুনিষ্ঠ ও সূত্রানুগ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এক কথায় বলতে গেলে, ফ্যাক্টগুলো ইতিহাসের, ফ্যাক্টরগুলো লেখকের।