এই বইটি কেন পড়বেন? এই বইটি লেখা হয়েছে মনস্তত্ত্ব যে কোনো জটিল বিষয় না সেই প্রসঙ্গটি তুলে ধরতে। মানুষের মন কিছু প্যাটার্ন মেনে চলে। সেই প্যাটার্নগুলে বোঝার জন্যই এই লেখা। আমি যদি আমার মনোজাগতিক সীমাবদ্ধতাকে চিহ্নিত করতে পারি,তাহলে অন্যের দিকেও আর আঙুল না তুলে তার সীমাবদ্ধতাকে মেনে নিতে পারব। কাউন্সিলিং মানে উপদেশ দেওয়া বা আপনি আমি ঠিক তুমি ভুল এ ধরনের জাজমেন্টাল মন্তব্য করা নয়। প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা আছে হয় উপদেশ দেওয়া,নয় চুপ করে শুনে যাওয়া মানেই কাউন্সেলিং। যতটুকু সম্ভব সহজ বাংলা ব্যবহৃত হয়েছে। উদ্দেশ্য এই বইটি একজন মাধ্যমিক পাস না করা ব্যাক্তির কাছ থেকে শুরু করে একজন অতি উচ্চ শিক্ষিতেরও যেন চিন্তার খোরাক জোগায়। আবার একজন সাইকোলজি অথবা সাইকিয়াট্রির পেশাজীবী পাঠক যদি আরেকটু গভীরে ঢুকতে চান তাঁর জন্য তথ্যসূত্রে ইঙ্গিত আছে। ঠিক যেন একাডেমিক না হয়েও সেমি একাডেমিক একটা স্বাদ যোগ করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। মোদ্দা কথা হলো প্রত্যেকটি মানুষেরই চিন্তার দক্ষতা আছে। সেই দক্ষতার জায়গাটিকে উসকে দেওয়ায় যাদের আগ্রহ আগ্রহ আছে,তারাই এই বইটি পড়বেন।