“এই খেদ আমার মনে মনে।
ভালবেসে মিটল না আশ-কুলাল না এ জীবনে।
হায়, জীবন এত ছােট কেনে?
এ ভুবনে?”
এ গানের বাণীতে আর সুরে বসন খুঁজে পায় তার অতৃপ্ত নারী হৃদয়ের ব্যাকুল ভালবাসার অনন্ত আকুতি। মৌতাতে মত্ত বসন, পুরুষ মিলন প্রতিহার্য বিবেচনা করেও বিরত থাকতে পারে না মাসীর কারণে। নিতাইয়ের সেবায়-মমতায়, মাসীর লােক চিকিৎসায় বসন সুস্থ হয়। কিন্তু সুস্থতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বসন ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। এক রাত্রির শেষ প্রহরে মুমূর্ষ বসনকে ‘গােবিন্দ নাম উচ্চারণ করতে বলে নিতাই। বসন প্রতিবাদ করে। বলে, “না। কি দিয়েছে ভগবান আমাকে? স্বামীপুত্র ঘর সংসার কি দিয়েছে?” এরপর মৃত্যু হয় বসনের। মৃত্যুর পর গঙ্গাঘাটের কাছে শ্মশানে মরদেহ দাহ করে নিতাই। তারপূর্বে বসনের দেহ থেকে সর্বশেষ গহনা খসিয়ে নেয় মাসী। দাহ সমাপ্ত হলে, জীবন-মৃত্যুর রহস্য ঘেরা অমীমাংসিত ধারণা নিয়ে কাশী