সাতবার বিয়ের পরে পিয়ানার কেন জানি বিয়ের প্রতি একটা সত্যিকারের মায়া জন্মাল। তার প্রথম বিয়েটা হয়েছিল ক্লাস নাইনে। বিয়ে মানে গেট ধরা, হৈহল্লা, একটা বৌ বৌ সাজ এমন ধারণাই ছিল তার। বিয়ের প্রথম রাতেই সে ধারণাটা ভাঙে। শারীরিক ব্যথায় পরপর তিনদিন সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারছিল না সে। সাতদিনের মাথায় বাবার বাড়িতে চলে আসে। ছয়মাস পর একটা উকিল নোটিশ আসে তার কাছে। দ্বিতীয় বিয়ের সময় সে যথেষ্ট সাবালিকা।
২১ বছর বয়স। প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেত্রী হিসেবে ক'জন বাঘা বাঘা পরিচালকের দৃষ্টি কেড়েছে। এ-সময় এক নামি প্রযোজনা সংস্থা থেকে একটা টেলিফিল্ম করার প্রস্তাব পায়। রবীন্দ্রনাথের মধ্যবর্তিনী গল্প অবলম্বনে টেলিফিল্ম। স্কুল কলেজে আমাদের ছোট নদী বা বীর পুরুষ ছাড়া রবি ঠাকুরের তেমন কোনো লেখার সাথে সে পরিচিত ছিল না। কিন্তু এটা বুঝতে পেরেছিল, রবীন্দ্রনাথের গল্পে অভিনয় করা একটা বড় ব্যাপার। তার চরিত্রটি ছিল ছোট বৌ শৈলবালার।