“গল্পের শুরু ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে। প্রচন্ড শীতে জুবুথুবু হয়ে থাকা উত্তরবঙ্গের এক মফস্বল শহরের মধ্যবিত্ত দুটো পরিবারের জীবনের স্মৃতিমেদুর সময়ের কথা শব্দের বুননে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রতিটি বাক্যে, দৃশ্যে ও সংলাপে সেই শান্ত-ধীর সময়ের মফস্বলি বৃত্তান্ত খুব সচেতনতার সাথে তুলে আনা হয়েছে।
সব গল্প ভালোবাসার হয় না, কিছু গল্প মন্দবাসার হয়। এই গল্পের প্রধান দুটো চরিত্র আনন্দ ও তিথির গল্পটাও মন্দবাসার। যে মন্দবাসায় সব মন্দ থাকার পরেও মায়া, দায়িত্ব, পাশে থাকার প্রতিজ্ঞা, ভালো রাখার চেষ্টা ও ভালোবাসবার সার্বক্ষণিক আকাক্সক্ষা থাকে, সেই মন্দবাসা যাপিত দিনের ও গভীর জীবনবোধের কথা বলে। আনন্দ ও তিথির ‘কিছু মন্দবাসার গল্প’ এমনই একটি জীবনালেখ্য।”