কুয়াশা স্নাত রজনী
ঝির ঝির কুয়াশা পড়ছে প্রকৃতির আঁচলে। নেতিয়ে পড়েছে অসহায় সবুজ দুর্বাদল। ভারী হয়ে মাথা নুয়ে পড়েছে ফসলের সবুজাভ শীর্ষ পাতা। কুয়াশায় ভেজা পাখা নিয়ে বিহঙ্গকুল উড়ে চলেছে গগণ পানে। সামান্য বাতাসে ভর দিয়ে ক্লান্ত বিহঙ্গরা খাদ্য অন্বেষণে সচেষ্ট। ম্লানমুখী শিউলী ঝরে পড়েছে মাটিতে মুখ থুবরে। সূর্য্য কিরণের প্রকাশের আগেই শিউলীগুলো প্রকৃতির ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত। ফুলের পাঁপড়িগুলো সাদা হয়ে গিয়েছে পতিত কুয়াশার নীরব আবরণে।
বাড়ীর কর্মচারীরা তখনও গোয়াল ঘরের দরজা খোলেনি। টিনের বাংলা ঘরের ভেতর থেকে গত রাতে প্রসব হওয়া বাছুরটি ঘন ঘন ডাক্ছে। বাড়ির মালিক জোরে ডাকে কিশোর নগেনকে। রে বাবা নগেন। গরুগুলোকে ছেড়ে দে বাবা। প্রসাব করে ঘরটা ভাসিয়ে দিলো। এমেিতই ঘরে কাঁদা জমে গিয়েছে। গরুগুলোর যা কষ্ট। তাছাড়া বাছুরটার মুখে টোপা দিয়েছিস তো?