“কোরালাইন” বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা: একটা কথা কোরালাইনের মাথায় প্রায়ই ঘুরপাক খায়,কী আছে ড্রয়িংরুমের ওই বন্ধ দরজার পেছনে? নিরেট ইটের দেয়াল দেখে বেশ হতাশ হয় মেয়েটা। তারপর…আরেকদিনের কথা,দরজার ওপাশে দেখা যায় রহস্যময় এক সিঁড়িপথ। পা রাখা মাত্র কোরালাইন পৌছে যায় অন্য এক জগতে। নতুন এই জগতের সাথে ওর পরিচিত পুরনো জগতের ভীষণ মিল! তবে এখানকার সবকিছু যেন একটু বাড়াবাড়ি রকমের ভালো- বাড়ির চাইতে সুস্বাদু খাবার,খেলনাগুলোও অসাধারণ। এই ‘অন্যভুবনের’ বাবা-মা’র চেহারাও কিন্তু ওর নিজের বাবা-মা’র মতো। তবে স্বভাবে তারা আরও বন্ধুসুলভ। বকাঝকার বালাই নেই,উপদেশ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপণ-ও তাদের স্বভাবের ভেতর পড়ে না। শুধু চোখের জায়গায় কালো বোতাম না থাকলে,অনায়াসে তাদেরকে নিখুঁত বলা যায়। ছোট্ট মেয়েটাকে নিজেদের কাছে রেখে দিতে চায় তারা…চিরকাল! নতুন এক দুঃস্বপ্নের জগতের সাথে পরিচিত হয় কোরালাইন,ঘুঁচে যায় আপন আর পরের পার্থক্য। নিজের সাথে সাথে রক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটি জীবন। আয়নাবন্দী এ জগত থেকে মুক্তি মিলবে তো?