দিউদোন্নি সাব্রিনা, পেশায় মালী, বয়স বাইশ, কৃষ্ণাঙ্গ, খুনের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে। তার শিকার লোরেইন, ধনী এবং শ্বেতাঙ্গিনী, যে একাধারে দিউদোন্নির মনিব ও প্রেমিকা। হত্যার দায় থেকে দিউদোন্নি রেহাই পেলেও, কোথাও তার যাওয়ার জায়গা নেই। একমাত্র আশ্রয়স্থল একটা পালতোলা নৌকা, নাম ক্রিওল সুন্দরী, সোনালি অতীতের স্মারক। একুশ শতকের সন্ধিক্ষণে গুয়াদেল্যুপের সামাজিক বিভক্তি আর টালমাটাল শ্রমিক ধর্মঘটের প্রেক্ষাপটে ফ্ল্যাশব্যাকে বহু চরিত্রের জবানের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় হত্যারহস্য। ফকনার, লরেন্স, এমনকি শেক্সপিয়ারের ওথেলোর অনুরণন মেলে এ গল্পে, যেখানে প্রেম ও ঘৃণা, রাজনীতি ও স্টেরিওটাইপ, আর বিভিন্ন গণ্ডির মধ্যে যোগসূত্র তালাশের চেষ্টা করেছেন মারিস কোঁদে।