সাবুরা বেগম দু'হাত তুলে স্রষ্টার কাছে ফরিয়াদ করতে লাগলো। তার দু'চোখ বেয়ে কেবল জল ঝরছে। মোনাজাতে যে বসলো সে এক ঘণ্টার কম হবে না। -আছরের নামাজটা শেষ করে জায়নামাজে বসে সৃষ্টিকর্তার দরবারে একান্তই মনের কথা পেশ করছে। কথাগুলো তার মুখ দিয়ে বিড়বিড় করে উচ্চারিত হচ্ছিলো। আকুতি করতে গিয়ে মাঝে মাঝে কিছু শব্দ জোরে বেরুচ্ছিলো পাশাপাশি জোরে কেঁদে উঠছে সে। কান্নার ধরণ এমন যে মনে হয় এক্ষুণি সৃষ্টিকর্তাকে সাত আসমান থেকে জমিনে নামিয়ে ফেলবে। আর এ ধরায় সে যে কত কষ্টে আছে তা বোঝাবে। সুযোগ পেলে অনেক প্রশ্নও রাখবে স্রষ্টার কাছে।
• কী লাভ মানুষকে অকূলে ভাসিয়ে? তিনি কি মানুষের ধৈর্য পরীক্ষা করছেন? তিনি কি তার ধৈর্য পরীক্ষা করছেন? সাবুরা বেগম তো সবসময় সৃষ্টিকর্তার প্রতি আস্থা রেখে সবুর করে গেছে। যদি স্রষ্টা তার পরীক্ষা নিতে পছন্দ করেন-বেশ ভালো কথা। পাশের একটা পথ তো খোলা রাখবেন। কই-কোনো পথই সে খোলা দেখছে না। চারদিকে সে শুধু অন্ধকার দেখছে। ধু-ধু মরুভূমি!